
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেছেন। পোস্টে আনিস আলমগীর লেখেন, ‘এমআরডিআই মিডিয়া কনফারেন্সে দাওয়াত নিয়ে সাংবাদিক মহলে অনেক কথাবার্তা হচ্ছে। বিদেশি টাকায় জাঁকজমকপূর্ণ কনফারেন্স, হোটেল, ব্যানার- কথা তো হবেই।
রাষ্ট্রপতির নয়, ইউনূস-নূরজাহানের বিচার চাওয়া উচিত: আনিস আলমগীর
আউটপুট কী, তাতে কী আসে যায়! বিরাট বিরাট সাংবাদিকদের দেখা, তাদের মিডিয়া সংক্রান্ত নসিহত শোনা- এটাও কম কিছু নয়। কিন্তু এখানে সাংবাদিকতার নসিহত দানকারীদেরকে প্রশ্ন করার কেউ নেই। ইউনূসের সেই আঠারো মাসের দুঃশাসনের সময় তারা কোথায় ছিলেন? একবারও কি অপশাসনের সমালোচনা করেছেন, মিথ্যা মামলায় কারাবন্দী সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি তুলেছেন? প্রথম আলো, ডেইলি স্টার পোড়ানোর আগ পর্যন্ত সাংবাদিক নির্যাতন নিয়ে তো তাদের মুখে একটি কথাও শুনিনি। মব নিয়ে কথা বলেননি।
তিনি লেখেন, ‘আর ইতিহাসে প্রশ্ন তো রয়েছেই – বিশ্ব বাটপার ইউনূসকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আনতে সহায়তা করেছিল কারা? যাই হোক, সাংবাদিক তাজু ভাই কি Management and Resources Development Initiative-এর মিডিয়া কনফারেন্সে দাওয়াত পেয়েছিলেন?’
রাষ্ট্রপতিকে সরাতে ব্যর্থ হয়ে তার কাছেই শপথ নিতে হয় ইউনূস, নাহিদদের: আনিস আলমগীর
তিনি আরো লেখেন, ‘আমার কাছে এখন বাংলাদেশের সাংবাদিকতা যেন দুই মেরুতে বিভক্ত- একদিকে রাজধানীর মাহফুজ ভাইয়েরা, অন্যদিকে গ্রামের তাজু ভাইয়েরা; মাঝখানে আর কেউ নেই।’
আপনার মতামত লিখুন :