
তিনি বলেন, ‘ব্যর্থ হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ওই রাষ্ট্রপতির অধীনেই শপথ নিতে হয়েছে তাদের সবাইকে।’ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
পোস্টে আনিস আলমগীর লেখেন, ‘নাহিদ ইসলামরা চেয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে সরিয়ে নিজেদের পছন্দের কাউকে সেই পদে বসাতে। ব্যর্থ হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ওই রাষ্ট্রপতির অধীনেই শপথ নিতে হয়েছে পালের গোদা মোহাম্মদ ইউনূসসহ তাদের সবাইকে।’
আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ কি এনসিপির দয়ায় রাজনীতি করবে? আনিস আলমগীরের প্রশ্ন
তিনি লেখেন, ‘‘রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের দাবিতে বঙ্গভবন ঘেরাও করা হয়েছে- উদ্দেশ্য তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে বসিয়ে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া, উগ্র ইসলামী রাষ্ট্র বানানো। সেখানেও ব্যর্থতা- সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে। তারা চেয়েছিলেন ডক্টর ইউনুসের মাধ্যমে ‘জুলাই সনদ’ জারি করতে- সেই আগ্রহ ইউনূসেরও ছিল। কিন্তু আইনি ভিত্তি না থাকায় তা সম্ভব হয়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির কাছেই যেতে হয়েছে- আসিফ নজরুলের মাধ্যমে, কারণ ততক্ষণে রাষ্ট্রপতি নাহিদদের আপত্তির অজুহাতে স্বাক্ষর করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।’’
আনিস আলমগীর লেখেন, ‘তিন বছর ধরে রাষ্ট্রপতি তার পদে বহাল আছেন। তিনি মেয়াদ পূর্ণ করবেন কি না- সেটি রাষ্ট্রপতি ও বর্তমান সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়। বিরোধীদলের দাবিতে রাষ্ট্রপতি সরে যাবেন- এটি বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। কারণ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সরকারের কোনো মৌলিক বিরোধ নেই- বরং অভ্যন্তরীণভাবে কিছু সিনিয়র ব্যক্তির রাষ্ট্রপতি হওয়ার আকাঙ্ক্ষাই এখানে আলোচনার কেন্দ্র।’
তিনি লেখেন, ‘রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ দাবি করে সংসদে ব্যক্তি আক্রমণ, অসভ্য ভাষায় বক্তৃতা দেওয়া সমর্থনযোগ্য নয়- কারণ সেখানে লাগামহীন অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি উপস্থিত থাকেন না। রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তি নন- তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করলে শেষ পর্যন্ত দুর্বল হয় রাষ্ট্রই।’
আপনার মতামত লিখুন :