
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরামর্শে জাতীয় সংসদের বিভিন্ন গ্যালারির নামকর মহান মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী সাত বীরশ্রেষ্ঠের নামে করা হয়েছে।
জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা এবং তাদের স্মৃতি চিরস্মরণীয় করে রাখতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সংসদের গ্যালারিগুলো এখন বীরশ্রেষ্ঠদের নামে পরিচিত হবে।
ক্ষমতায় গেলে যথাসময়ে পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে: তারেক রহমান
এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র জাতীয় সংসদে স্বাধীনতার বীরত্বগাথা স্থায়ীভাবে স্থান পেল। গ্যালারিগুলোর পূর্বের ফুল ও নদীর নাম পরিবর্তন করে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
গাড়ি চাইলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ, ছোটদের আবদারে ‘না’ বলতে নেই বলেন ডা. শফিকুর রহমান
নতুন নামকরণ অনুযায়ী গ্যালারি-৩ বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ, গ্যালারি-৪ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান, গ্যালারি-৫ বীরশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিন রুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন, গ্যালারি-৬ বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ এবং গ্যালারি-৭ বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের নামে করা হয়েছে।
এছাড়া ভিআইপি গ্যালারি-১ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর এবং ভিআইপি গ্যালারি-২ বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের নামে করা হয়েছে। গ্যালারি-১ ও গ্যালারি-২ সাংবাদিকদের জন্য সংরক্ষিত।
রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ঠিক রেখেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী: মাহমুদা আলম মিতু
জাতীয় সংসদের গ্যালারিগুলোর এই নামকরণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সংরক্ষণের পাশাপাশি বীরত্ব ও ত্যাগের ইতিহাসকে আরও দৃশ্যমান করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :