
হাইকমিশনার বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের মধ্যে গভীর সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধন দুই দেশের সম্পর্ককে সত্যিকার অর্থে জনকেন্দ্রিক করে তুলেছে। দুই দেশের মধ্যে সমৃদ্ধ ইতিহাস ও গভীর সাংস্কৃতিক সংযোগ রয়েছে।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই দেশের ভাগ করে নেওয়া ত্যাগের অমোচনীয় স্মৃতি দুই দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে চলেছে।’
প্রণয় ভার্মা বলেন, দুই দেশে প্রাণবন্ত ও দূরদর্শী সমাজ একটি আশাব্যঞ্জক ভবিষ্যতের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে– যেখানে কেবল দুই দেশের জন্যই নয়, আশপাশের বৃহত্তর অঞ্চলে সমৃদ্ধি ভাগ করে নিতে একসঙ্গে কাজ করতে পারে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, জাতীয় সংসদের তিন হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আশরাফউদ্দিন নিজান ও রফিকুল ইসলাম বকুল, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, এবি পার্টি, জাকের পার্টিসহ বিভিন্ন দলের নেতারা প্রমুখ এ ইফতার আয়োজনে যোগ দেন।
আপনার মতামত লিখুন :