
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নারীদের জন্য এলপিজি কার্ড চালু করা হবে, যাতে তারা সহজে জ্বালানি সুবিধা পেতে পারেন। পাশাপাশি মেয়েদের ডিগ্রি পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করার কথাও জানান তিনি। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে নারীদের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির রাজনীতি মানুষের কল্যাণে কাজ করার রাজনীতি। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতনের পর এখন দেশ গঠনের সময় এসেছে। আগামী দুই থেকে চার মাসের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া বিভিন্ন কল-কারখানা পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এ সময় খাল পুনর্খনন কাজে স্থানীয়দের স্বেচ্ছাশ্রমে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে জনগণের উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে যেন কেউ বাধা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
জনগণের লুণ্ঠিত অর্থ জনগণের কাছেই ফিরিয়ে দেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের ভাগ্য নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেললে অতীতের মতোই জনগণ তার জবাব দেবে। সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের আশ্বাসও দেন তিনি।
আপনার মতামত লিখুন :