আদালতে যাবেন বিএনপি প্রার্থী


প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ণ
আদালতে যাবেন বিএনপি প্রার্থী

লাখোকণ্ঠ ডেস্ক: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-১ (সদর) আসনে ভোটে কারচুপির অভিযোগ করেছেন বিএনপির প্রার্থী সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা। তিনি বলেছেন, ‘ভোটে নানা অনিয়ম ও প্রকাশিত ফলাফলের বিষয়ে ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপত্তি জানিয়েছি। অবশ্যই আমি আদালতে যাব। ইসির কাছে ফলাফল স্থগিত ও পুনর্নির্বাচনের জন্য আবেদন করেছি।’

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। একই সঙ্গে তিনি তার আসনে পুনর্নির্বাচনেরও দাবি জানিয়েছেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৮৯ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সানসিলা জেবরিন পান ৭৭ হাজার ৫২১ ভোট।

সাংবাদ সম্মেলনে সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা বলেন, কোনো কোনো প্রার্থীর পক্ষে দলীয় কর্মীরাই প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কিছু ক্ষেত্রে প্রিজাইডিং অফিসার নিজেই পোলিং এজেন্টদের নাম ও সই দিয়েছেন। অনেক কেন্দ্রেই ফলাফলের শিটে প্রিজাইডিং অফিসারের সই-সিল ছিল না। অনেক ক্ষেত্রে পোলিং এজেন্টদের নাম, সই ও এনআইডি নম্বর ছিল না।

কিন্তু তার পরও ভোট গণনা বিবরণীপত্র কিভাবে শেরপুর জেলা রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার গ্রহণ করলেন? তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পরদিন কয়েকজন পোলিং এজেন্ট অনিয়ম সংক্রান্ত তথ্য ও প্রমাণ উপস্থাপন শুরু করলে তারা হামলার শিকার হন। এর ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, এতে করে আমার নিবার্চনের অনিয়মের তথ্য প্রকাশ করতে ভয় পেয়ে মুখ খুলছেন না। অভিযোগগুলোর বারবার ডিসি অফিসে জানানোর পরও জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার যথাযথ প্রতিকারের ব্যবস্থা নেয়নি। জেলা প্রশাসক কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জামায়াত শিবির সমর্থিত সক্রিয় রাজনীতি করতেন, এসিল্যান্ড অনৈতিক সুবিধা নিয়ে জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাজ করেছেন। যে এলাকায় বিএনপির ভোটার বেশি, সেসব এলাকার কেন্দ্রে ভোটারদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড় করিয়ে রেখে ধীর গতিতে ভোট কাস্ট করা হয়।

হট্টগোল করে ধানের শীষের কর্মীদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করাও হয়। জামায়াত সমর্থিত এলাকায় ইচ্ছামত জাল ভোট দেওয়া হয়েছে। বিএনপির মতো একটি বড় রাজনৈতিক দল হওয়া স্বত্ত্বেও আমি একটি কেন্দ্রে ৭টি ভোট, আরেকটি কেন্দ্রে ২৭টি ভোট, ৩৯টি ভোট, ৪৯ টি ভোট, ৯৬টি ভোট পাই। যা কোনোভাবে বিশ্বাসযোগ্য না। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে সানসিলা জেবরিন বলেন, ‘নির্বাচনের সময় সবাই অনেক ব্যস্ত থাকেন। প্রত্যেকটা আসনেই যে যার যার মতন ব্যস্ত ছিলেন, দল সব কিছুতে অবগত আছে। আমার দল অবশ্যই এই ব্যাপারে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেবে।’

রোজায় শরীরের ছন্দ বদলায়, যেসব কারণে প্রভাব পড়ে চোখে

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০