আপন ভাই–বোনকে ফিতরা দেওয়া যাবে কি?


লাখোকণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
আপন ভাই–বোনকে ফিতরা দেওয়া যাবে কি?

নিজের আপন ভাই বা বোনকে ফিতরা দেওয়া যাবে কি? রমজান মাসের শেষে মুসলমানদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো সদকাতুল ফিতর বা ফিতরা আদায় করা। ঈদের আনন্দে দরিদ্র ও অভাবগ্রস্ত মানুষদের শরিক করার উদ্দেশ্যে এই দান নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইসলামী শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, ফিতরা মূলত সেইসব মুসলমানের জন্য নির্ধারিত যারা আর্থিকভাবে অসচ্ছল এবং নিজেদের নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণে হিমশিম খান। অর্থাৎ যারা যাকাত গ্রহণের উপযুক্ত, তারাই সাধারণত ফিতরারও উপযুক্ত প্রাপক।

ইফতারের সময় রোজাদারের পাঠ করার দোয়া

তবে ইসলামী বিধানে কিছু নিকটাত্মীয় রয়েছেন, যাদেরকে জাকাত বা ফিতরা দেওয়া বৈধ নয়। যেমন—নিজের পিতা-মাতা, দাদা-দাদি, নানা-নানি কিংবা নিজের সন্তান-সন্ততি। কারণ তাদের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব স্বাভাবিকভাবেই পরিবারের উপার্জনক্ষম সদস্যদের ওপর বর্তায়। ফলে তাদেরকে জাকাত বা ফিতরা দেওয়া দানের আওতায় পড়ে না।

ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, আত্মীয়স্বজনের মধ্যে দরিদ্র কাউকে সাহায্য করা বিশেষভাবে সওয়াবের কাজ। এতে একদিকে যেমন দানের সওয়াব পাওয়া যায়, অন্যদিকে আত্মীয়তার বন্ধনও দৃঢ় হয়। তাই অনেক আলেমই মনে করেন, আশপাশে যদি দরিদ্র আত্মীয় থাকেন, তবে তাদেরকে সাহায্য করা আরও উত্তম।

ডায়াবেটিস থাকলে ইফতার ও সেহেরির মাঝে কী খাবেন

রমজানের শিক্ষা হলো সহমর্মিতা, মানবিকতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা। তাই ফিতরা দেওয়ার সময় নিজের আশপাশের দরিদ্র আত্মীয়দের খোঁজ নেওয়া এবং তাদের পাশে দাঁড়ানোই ইসলামের প্রকৃত চেতনার প্রতিফলন।

লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০