২০২৭ সালের আইসিসি পুরুষদের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২৪ বছর পর ফিরছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়েতে। আগামী বছরের এ আসরের যৌথ আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া। টুর্নামেন্টের জন্য ১২টি আয়োজক শহরের নাম চূড়ান্ত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
মোট ৫৪টি ম্যাচের মধ্যে অধিকাংশই অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আফ্রিকার আটটি শহরে—জোহানেসবার্গ, সেঞ্চুরিয়ন, ডারবান, গেবেরা, গকেবেরহা (পূর্বে পোর্ট এলিজাবেথ), কেপ টাউন, পার্ল ও ব্লুমফন্টেইনে। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্স অথবা কেপ টাউনের নিউল্যান্ডস স্টেডিয়ামে।
জিম্বাবুয়ের তিনটি আয়োজক শহর হলো হারারে, বুলাওয়ে ও নতুন সংযোজিত ভিক্টোরিয়া ফলস। দেশটিতে ৭ থেকে ১০টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে নামিবিয়ার রাজধানী উইন্ডহকে অন্তত তিনটি ম্যাচ আয়োজন করা হবে।
প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু হবে ৪ অক্টোবর এবং ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ২১ নভেম্বর।
কয়েক বছর আগে ভেন্যু নির্ধারণের পর আয়োজক শহরের তালিকায় নতুন সংযোজন হয়েছে শুধু ভিক্টোরিয়া ফলস। সেখানে নির্মাণাধীন ১০ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার নতুন স্টেডিয়ামের কাজ চলতি বছরের শেষ নাগাদ শেষ হওয়ার আশা করা হচ্ছে। ২০২৭ সালের শুরুতে আন্তর্জাতিক ম্যাচ দিয়ে স্টেডিয়ামটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রস্তুতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আফ্রিকার বেনোনি ও পচেফস্ট্রুমে। এছাড়া বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের কিছু ম্যাচ দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়ায় আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। বাছাইপর্ব আগামী বছরের শুরুতে অনুষ্ঠিত হতে পারে।
এর আগে ২০০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়া যৌথভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা ২০০৭ সালে পুরুষদের প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৩ সালে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করে। পাশাপাশি দেশটি একাধিক অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেরও স্বাগতিক হয়েছে।
অন্যদিকে, নামিবিয়া এই প্রথম সিনিয়র পর্যায়ের কোনো আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের দায়িত্ব পাচ্ছে। যদিও চলতি বছরে জিম্বাবুয়ের সঙ্গে যৌথভাবে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আয়োজন করেছে দেশটি।
আপনার মতামত লিখুন :