
বিধিমালার ২২ (২) ধারা অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচন বিষয়ক যেকোনো কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন প্রদান, পোস্ট বুস্টিং বা স্পন্সরশিপের পেছনে হওয়া যাবতীয় খরচ প্রার্থীর সামগ্রিক নির্বাচনী ব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এই ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ছকে রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ডিজিটাল মাধ্যমে অর্থ খরচের ক্ষেত্রেও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চায় কমিশন।
নির্বাচন কমিশন সকল রিটার্নিং অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছে যেন তারা রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা কোন কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছেন, তার একটি ডাটাবেজ তৈরি করে ইসি সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখায় প্রেরণ করেন।
এই নির্দেশনার ফলে এবারের নির্বাচনে ভার্চুয়াল জগতের অপপ্রচার রোধ এবং নির্বাচনী ব্যয়ের ওপর কমিশনের নজরদারি আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করা হচ্ছে। নির্ধারিত নিয়ম না মেনে প্রচারণা চালালে আইন অনুযায়ী প্রার্থিতা বাতিলসহ অন্যান্য কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বাসস
আপনার মতামত লিখুন :