
রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এই ক্রয়চুক্তি সই হয়। আধুনিককালে বিমানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বহর সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ঐতিহাসিক এই চুক্তি সই করলো জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থাটি।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে খরচ কত? কবে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে?
চুক্তি অনুযায়ী, এতে ব্যয় হবে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। কিস্তিতে এই অর্থ পরিশোধ করা হবে ১০ থেকে ২০ বছর মেয়াদে। বোয়িংয়ের কাছ থেকে প্রথম উড়োজাহাজটি ২০৩১ সালের অক্টোবরে ও বাকিগুলো ২০৩৫ সালের নভেম্বরের মধ্যে বিমানের বহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, একটি সমৃদ্ধ এভিয়েশন খাত পর্যটন, যাত্রী সেবা ও কর্মসংস্থান তৈরিতে অবদান রাখে। নতুন এই যাত্রা নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন রুটের কানেকটিভিটি বাড়ানো ও সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতি খাতেই শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে কাজ করছেন।
স্বাক্ষরিত চুক্তি নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাইজার সোহেল আহমেদ বলেন, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত এই নতুন উড়োজাহাজগুলো বিমানের বহর আধুনিকীকরণ, অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক রুট নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে সহায়ক হবে—যার মাধ্যমে বৈশ্বিক এভিয়েশন মার্কেটে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।
আপনার মতামত লিখুন :