
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধনী ব্যক্তি, জনপ্রিয় র্যাপার ও তারকা ফুটবলারদের অপহরণ কিংবা হামলার পরিকল্পনা করছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। তদন্তে উঠে এসেছে, ১৮ বছর বয়সী এক ফরাসি-সুইস তরুণ কারাগারে বসেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে চক্রটির কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন বলে তদন্তকারীদের সন্দেহ।
ক্লিমেন্ট এল. নামের ওই তরুণ বর্তমানে সশস্ত্র ডাকাতি ও মানবপাচারের অভিযোগে ভিলপেন্ট কারাগারে বন্দি। তদন্তকারীদের ধারণা, কারাগারে থেকেও ‘লেস্টার জেড.’ নামে একটি ছদ্মপরিচয় ব্যবহার করে তিনি অপরাধী নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন।
গত এপ্রিল মাসে নুই-সুর-সেন এলাকায় এক ঘড়ি ব্যবসায়ীর ওপর হামলার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ এই চক্রের সন্ধান পায়। পরে সন্দেহভাজনদের মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য টার্গেটদের পরিচয় ও ঠিকানা সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার কথা জানায় তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।
তদন্তে পাওয়া তালিকায় ব্যবসায়ী, গায়ক ও ফুটবলারদের নাম ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্যারিসের ১৯তম অ্যারোঁদিসমঁর এক চীনা ব্যবসায়ী, একজন গহনা ব্যবসায়ী এবং ভাল-দোয়াজ এলাকার এক তুর্কি পাইকারি ব্যবসায়ীও চক্রটির নজরে ছিলেন বলে জানা গেছে।
তবে তালিকায় এমবাপ্পের নাম থাকায় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একজন পরিচিত র্যাপারের পাশাপাশি এমবাপ্পেকেও সম্ভাব্য হামলা বা অপহরণের লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করেছিল চক্রটি।
ঘটনাটি সামনে আসার পর তারকা ফুটবলারদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এমবাপ্পেকে ঘিরে কথিত পরিকল্পনার বিষয়ে তদন্তের চূড়ান্ত ফলাফল বা আদালতের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এটিকে তদন্তে উঠে আসা অভিযোগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :