কমলগঞ্জে ৪২ জন খামারির মাঝে ৫টি করে চারা বিতরণ


কমলগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৫ পূর্বাহ্ণ ৮৭
কমলগঞ্জে ৪২ জন খামারির মাঝে ৫টি করে চারা বিতরণ

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:প্রধানমন্ত্রীর ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় কমলগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের আয়োজনে দপ্তরের অফিস প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কমলগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা: শ্যামল কুমার চৌধুরী।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সন্দীপ তালুকদার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তরুণ উদ্যোক্তা ও কৃষিবিদ, তরুণ সমাজসেবক এবং কমলগঞ্জ পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী মুঈদ আশিক চিশতী, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি (এনপিএস) মৌলভীবাজার জেলা শাখার কো-অর্ডিনেটর মোঃ আব্দুস সালাম, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহমেদুজ্জামান আলম ও সিনিয়র সাংবাদিক এম এ ওয়াহিদ রুলু। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও উপকারভোগী খামারিরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “আজকের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুধু গাছ লাগানোর একটি কর্মসূচি নয়; এটি আমাদের পরিবেশ, কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ। পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ—এটি একটি বড় লক্ষ্য। কিন্তু আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, জনগণের অংশগ্রহণ এবং প্রতিটি রোপিত চারার যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে এই লক্ষ্যকে বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব।”

বক্তারা আরও বলেন, একটি গাছ শুধু অক্সিজেন দেয় না। একটি গাছ মাটিকে রক্ষা করে, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে। আর প্রাণিসম্পদের সঙ্গে বৃক্ষের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। খামারে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগালে গবাদিপশুর জন্য ছায়া ও আশ্রয়স্থল তৈরি হয়, অতিরিক্ত তাপ থেকে পশুকে সুরক্ষা দেওয়া যায়, তাপজনিত চাপ কমানো যায় এবং পশুর স্বাভাবিক উৎপাদনশীলতা বজায় থাকে।

“আমরা যদি ঘাস, নেপিয়ার, গাছের পাতা ও অন্যান্য পশুখাদ্য উপযোগী উদ্ভিদ পরিকল্পিতভাবে উৎপাদন করি, তাহলে খামারে খাদ্যের একটি অংশ নিজেরাই জোগান দিতে পারব। এতে খামারের উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং প্রাণিসম্পদ খাত আরও টেকসই হবে।”

অনুষ্ঠানে খামারিদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, শুধু রাস্তার পাশে নয়, প্রতিটি খামার, বাড়ির আঙিনা, পতিত জমি ও উপযুক্ত স্থানে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগাতে হবে। তবে গাছ লাগানোর পাশাপাশি তার পরিচর্যা এবং বেঁচে থাকার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠান শেষে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের আওতাধীন খামারি, তরুণ ও নারী উদ্যোক্তাসহ সর্বমোট ৪২ জনের প্রত্যেককে ৫টি করে বিভিন্ন প্রজাতির চারা গাছ বিতরণ করা হয়। পরে অফিস প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ চারা গাছ রোপণ করা হয়।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০