
সন্ধ্যার পর আয়োজন করা হবে কাওয়ালী অনুষ্ঠান। ভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য খাসির মাংসের ব্যবস্থাও করার চেষ্টা করছেন আয়োজকেরা।
আয়োজকেরা জানান, কর্মসূচিতে অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৪০ টাকা করে নিবন্ধন ফি নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৮০ হাজার টাকায় একটি গরু কেনা হয়েছে। খাসি পাওয়া না গেলে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য খাসির কাচ্চির ব্যবস্থা করা হবে।
বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের জবি শাখার সদস্যসচিব ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতেই এ আয়োজন। প্রশাসনের পশু জবাই থেকে বিরত থাকার নির্দেশনার প্রতিবাদে শনিবারও গরুভোজের আয়োজন করা হচ্ছে। কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আজম খান বলেন, শুক্রবারের আয়োজন সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার আবারও গরুভোজের বিষয়ে প্রথমে প্রশাসনের আপত্তি থাকলেও সংগঠনটির নেতাদের অনুরোধে শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার যে স্থানে আয়োজন হয়েছিল, সেখানেই কর্মসূচি করতে হবে। পাশাপাশি বিশৃঙ্খলা এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
এর আগে, গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ক্যাম্পাসে গরু ও খাসির ভোজের আয়োজন করা হয়। এর আগে ১৪ অক্টোবর জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে ক্যাম্পাসে পশু জবাই থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর। এ নির্দেশনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি দেখা দেয়। এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোজের আয়োজন করা হয়।
আপনার মতামত লিখুন :