লাখোকণ্ঠ প্রতিবেদক: বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠী জেলার কাঠালিয়া উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনের এর কামাইর পূত্র মাহতাব উদ্দীন মানিক কাঠালিয়া মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে” অফিস সহায়ক হিসেবে ২৭/১০/২০০৮ সালে যোগদান করেন করেন তিনি” টানা একযুগ ধরে আধিপত্য সৃষ্টি করে অফিসের মধ্যে আলাদা চেয়ার টেবিলে বসে নিজেকে কর্মকর্তা সেজে ধীরে ধীরে একযুগ ধরে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়-বই বিতরনের সময়, খেলাধুলার, চিঠি বিতরন, ট্রেনিয়ের নাম দিয়ে দেওয়ার কথা বলে, নিয়োগ সংক্রান্ত নির্বাচন ডিউটি নাম পরিবর্তন করা- নাম দিয়ে দেয়ার কথা ও চিঠি পারপাচে এভাবে তিনি মোটা অংকের টাকার পাহার বানিয়েছে।
তার নিজ এলাকায় পারের হাটে বহুতল ভবন নির্মান করেছে বলে জানিয়েছেন হোগলপাতি গ্রামের একব্যক্তি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এছাড়া তার নামে বেনামে বিভিন্নভাবে ব্যাংকে টাকা রয়েছে বলে জানিয়েছেন। যাহা সংশিষ্ট কর্মকর্তা ও দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক তার দুর্নীতির খোজ নিলে বেরিয়ে আসবে তার সম্পদের হিসাব। ২০ই সেপ্টেম্বর রোজ বুধবার অফিস চলাকালীন ঘুষ নেওয়ার বিষয়’টি সরজমিনে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী মানিকের বাধার মুখে পড়তে হয় স্থানীয় সাংবাদিকদের। এসময় তাদের ব্যবাহারযোগ্য মোবাইলে ভিডিও ধারন করতে গেলে থাবার মুখে মোবাইলটি পড়ে ভেঙ্গে যায় যাহা অন্য একটি মোবাইলে ভিডিওটি ধারন করা হয় এবং ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি জানালে দেখতেছি বলে ফোনটি রেখে দেয় এবং বিষয়টি আমলে নেইনি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি জানালে পরীক্ষার ডিউটির কথা বলে বিষয়টি পাশকাটিয়ে যায় তবে কর্মকর্তার কামাইর পূত্র মানিক পিরোজপুর জেলার উজির পুর উপজেলার হোগোল বুনিয়া গ্রামের মৃত অফেজ উদ্দীন হাওলাদারের পূত্র মানিক।
এ বিষয়ে মানিকের কাছে জানতে চাইলে শিক্ষা কর্মকর্তার দোহাই দিয়ে বলে আমি যা করি স্যার সবই জানে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, শিক্ষা অফিসে মানিকের বিষয়ে আমরা শুনেছি। বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ, দেখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে” জেলা প্রশাসকের মুঠোফোনে মানিকের দুনীতির অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন একি কর্মস্থানে তিন বছরের বেশি থাকা যাবে না” বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলব কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে।
শিক্ষা অফিসের বিভিন্ন দুর্নীতির খবর একাধিকবার স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়, যা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এরপর থেকে মানিক আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। শিক্ষা অফিসের পুরো কার্যক্রম এই মানিকের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। দ্রুত মানিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ দাবি জানায় শিক্ষক শিক্ষিকারা সহ সকলে।
আপনার মতামত লিখুন :