
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার জামজামি ইউনিয়নের বেগুয়ারখালি চরপাড়া গ্রামের চরপাড়া জামিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। ওই মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে কেন্দ্র করে যৌন হয়রানির অভিযোগটি ওঠে।
আটক আবুল কালাম আজাদ চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার উজিরপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি প্রায় ১০ বছর ধরে ওই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করছেন।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা সাহানুর রহমানের অভিযোগ, তাঁর মেয়েকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দেওয়া হতো। বুধবার রাতে মাদ্রাসায় তাঁর মেয়েকে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
সাহানুর রহমান বলেন, বিষয়টি পরিবার ও স্থানীয়রা জানতে পারার পর শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। এ সময় তাঁদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। পরে অভিযোগটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন মাদ্রাসায় জড়ো হয়ে ওই শিক্ষককে মারধর করেন।
স্থানীয় কয়েকজন জানান, ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষকের অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর লোকজন মাদ্রাসায় ভিড় করেন। পরে তাঁকে আটক করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
তবে অভিযুক্ত শিক্ষকের পরিবারের দাবি, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছে। আবুল কালাম আজাদের বাবা আবুল হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাঁর ছেলে এমন কোনো কাজ করতে পারেন না। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করার দাবি জানান তিনি।
অভিযুক্ত শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বানী ইসরাইল বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে মাদরাসাশিক্ষককে উদ্ধার করে থানার হেফাজতে নেয়। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
ওসি আরও বলেন, অভিযোগের সত্যতা, ঘটনার পরিস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :