
নিহতরা হলেন গলানিয়া গ্রামের ইমাম হোসেন (৩০), হৃদয় মিয়া (২৫), মেহেদী (২২) ও একই উপজেলার ধরন্তি গ্রামের আরমান (৩০)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে গলানিয়া গ্রামের আলী মিয়ার বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নামেন হৃদয় মিয়া ও মেহেদী। দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা ওপরে না উঠলে অন্য শ্রমিক আরমান ও ইমাম হোসেন তাদের খোঁজ নিতে ট্যাংকে নামেন। একপর্যায়ে চারজনই ভেতরে অচেতন হয়ে পড়েন।
পরে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালান। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সেপটিক ট্যাংক থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক ফারুক আহমেদ বলেন, সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে বিষাক্ত গ্যাসের কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ ধরনের কাজে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :