
এম এস শবনম শাহীন: মেহেরপুরে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। আজ শুক্রবার সকাল ছয়টার দিকে এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী পরিচালক রাকিবুল হাসান বলেন, ‘আবহাওয়া ৮ থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। আজ মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে। বাতাসের শতভাগ আর্দ্রতা আছে। এই আবহাওয়া পুরো সপ্তাহেই থাকতে পারে।’
শীতে ঘর থেকে বেরোতে পারছেন না অনেকেই। জরুরি প্রয়োজনে টুপি, মাফলার পরে শ্রমজীবীদের জীবিকা অন্বেষণে বেরোতে দেখা গেছে। রাস্তাঘাটে হেডলাইট জ্বেলে গাড়ি চলছে। তীব্র শীতে রিকশাচালক ও নিম্ন-আয়ের লোকজন অসহায় হয়ে পড়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছেন রিকশাচালক ও দিনমজুররা। তারা জানান, প্রচণ্ড শীত, ঘন কুয়াশা আর উত্তুরে হিমেল হাওয়ায় জীবন এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। এতে তারা প্রতিদিনের কাজ পেতে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছেন। আয়-রোজগার কমতে বসেছে।
হোটেল বাজার এলাকায় জীবিকা অন্বেষণে এসেছিলেন সদরের চকশ্যামনগর গ্রামের বাসিন্দা দিনমজুর সিরাজ আলী। ১২ বছর ধরে এভাবেই হোটেলবাজারে এসেছেন প্রতিদিন। শুক্রবার তিনি বলেন, ‘শীতে কাজ মজুরের কাজ পেতে সমস্যা হচ্ছে। জিনিসপত্রের দাম যে হারে বাড়ছে, তাতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।’
হোটেলবাজারে রিকশাচালক কেরামত মিয়া বলেন, ‘শীতের তীব্রতায় লোকজন বাইরে বেরোচ্ছেন কম। এ কারণে যাত্রীর সংখ্যা কমেছে। আয়ও কমেছে। জিনিসপত্রের দাম বেশি হওয়ার কারণে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি।’
এদিকে শীতজনিত রোগ বিশেষ করে নিউমোনিয়া, সর্দি-কাশি ও জ্বর থেকে সুরক্ষা পেতে পরিবারের শিশু ও প্রবীণদের সাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন :