শীতবস্ত্র নেই, আমাদের একটা কম্বল দেন..!


প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : ১৯ জানুয়ারি, ২০২৪, ৪:২৩ অপরাহ্ণ
শীতবস্ত্র নেই, আমাদের একটা কম্বল দেন..!

সামরুজ্জামান (সামুন), কুষ্টিয়া:কুষ্টিয়ায় কনকনে শীতের সঙ্গে বৃষ্টির মতো মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার দাপটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গরিব ও অসহায় মানুষগুলো।

বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের ছেঁউড়িয়া এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শীতবস্ত্রের অভাবে গরিব অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষ আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।

বিশেষ করে বাতাশে তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। সবচেয়ে বেশি শীত অনুভূত হয় তাদের। ঘন কুয়াশা ও হাড় কাঁপানো শীতে কাজে যেতে পারেন না তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তেমন কোনো ভারি কাজ না পাওয়াই তারা দিনমজুরি ও শ্রমিকের কাজ করে। দিন আনে দিন খায়। শীতকাল এলে খেটে খাওয়া এসব মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন। ঘন কুয়াশা ও হাড় কাঁপানো শীতে কাজে যেতে পারেন না তারা।

শীত নিবারণের জন্য তাদের নেই পর্যাপ্ত কাপড়৷ কোনো রকম কাজ করতে পারলেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে শীত। গরম কাপড় কেনার সামর্থ্য না থাকায় অনেকে শীত নিবারণের জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ির আঙিনায় আগুন পোহান। মানবেতর জীবনযাপন করছেন কেউ কেউ।

জানা গেছে, প্রতি বছর শীতার্ত মানুষের মাঝে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

বেসরকারি তথ্যমতে, জেলার প্রতি বছর যে পরিমাণ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয় তা লাখের ঘরে পৌঁছায় না। ফলে অনেক শীতার্ত মানুষ শীতবস্ত্র থেকে বঞ্চিত হন।

কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের ছেঁউড়িয়া মোল্লা পাড়া রেলগেটে এলাকায় বাসিন্দা মনোয়ারা বেগম বলেন, আমরা গরিব মানুষ। শীতের কারণে ঘর থেকে বের হতে পারি না। শীতবস্ত্র নেই, কেউ আমাদের একটা কম্বল দেন।

নাইট গার্ড জয়নাল ও দিনমজুরি সলোক বলেন, শীতকালে সবাই শীতবস্ত্র পায়; আমরা পাই না। তাহলে প্রতি বছর যেসব শীতবস্ত্র বা কম্বল আসে সেগুলো কোথায় যায়? সরকারের কাছে আমাদের অনুরোধ; গরিব মানুষের জন্য শীতবস্ত্রের ব্যবস্থা করেন- না হয় শীতে আমরা মারা যাব।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১