
মঙ্গলবার কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলা–এর নেউরা পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, কোরবানির পশু পালন ও বিক্রির মাধ্যমে লাখো পরিবার আর্থিকভাবে উপকৃত হচ্ছে। এটি ধীরে ধীরে শিল্পভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে পরিণত হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক গবাদিপশু কোরবানি হয়, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কোরবানির আয়োজন। এ উপলক্ষে সারা দেশের কৃষক ও খামারিরা এক থেকে দুই বছর ধরে গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ লালন-পালন করে বাজারে নিয়ে আসেন। এতে কোরবানির মৌসুম প্রান্তিক খামারিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করেছে।
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ আরও বলেন, সরকার প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গবাদিপশু পালন সম্প্রসারণে প্রশিক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়ায় দেশে বাণিজ্যিক পশুপালনের প্রবণতা বাড়ছে।
পশুর হাটের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের সমন্বয়ে দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে নিবিড় নজরদারি চলছে। প্রতিটি হাটে ভেটেরিনারি টিম পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহে কাজ করছে।
তিনি বলেন, চাঁদাবাজি বা অনিরাপত্তা নিয়ে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। জাল নোট শনাক্তে বিভিন্ন হাটে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে ক্রেতা ও বিক্রেতারা নিরাপদে লেনদেন করতে পারেন।
মন্ত্রী আরও জানান, ঈদের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে থেকে পশুর হাট পরিস্থিতি তদারকি অব্যাহত থাকবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, মো. সামছুল আলম, সুজন চন্দ্র রায় এবং ডা. মো. মাহে আলম।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :