
ভুক্তভোগীদের একজন বধুয়া শাড়ি বিতানের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ জসিম হাওলাদার জানান, গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে তিনি রেস্টুরেন্ট থেকে নান রুটি ও গ্রিল পার্সেল করে বাসায় নিয়ে যান। খাবার খাওয়ার পর তিনি, তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে তাসনিম অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাঁর মেয়ে তাসনিম বেশি অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
একই ধরনের অভিযোগ করেছেন নেভি সিগারেট কোম্পানির মাদারীপুর ডিলারশিপের ব্যবস্থাপক কুতুব উদ্দিন। তিনি জানান, একই রেস্টুরেন্টের খাবার খাওয়ার পর তাঁর ছেলে নাবিল ও স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনিও শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
অভিযোগের বিষয়ে রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী রাহাত আহমেদ বলেন, ঘটনার সঙ্গে তাঁদের খাবারের কোনো সম্পৃক্ততার প্রমাণ নেই। তিনি বলেন, প্রতিদিন শত শত মানুষ তাঁদের রেস্টুরেন্টে খাবার গ্রহণ করেন। অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত এবং প্রমাণ ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা গ্রহণযোগ্য নয়।
মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একই প্রতিষ্ঠানের খাবার খাওয়ার পর দুই পরিবারের সদস্যদের অসুস্থ হওয়ার অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে তাদের অসুস্থতার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হয়নি। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
মাদারীপুরের আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
আপনার মতামত লিখুন :