
এদিকে মেহেরপুর সদর উপজেলার জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজও এবার ভালো ফল করেছে। তবে জেলার চারটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ফলাফল তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে রয়েছে।
গাংনীর সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার ১৫৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে এবং মোট ১৫৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
মেহেরপুর সদর উপজেলার জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৮৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৪২ জন জিপিএ-৫সহ মোট ৮৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে গাংনীর জোড়পুকুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ও ভালো ফল করেছে। বিদ্যালয়টি থেকে ৯৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১৯ জন জিপিএ-৫সহ ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৯৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
অন্যদিকে জেলার চারটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ফলাফল তুলনামূলকভাবে কম। মেহেরপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২২৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ২৯ জন জিপিএ-৫সহ ১৮৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। ৩৯ জন অকৃতকার্য হয়েছে। পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৯ শতাংশ।
মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৬৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৭ জন জিপিএ-৫সহ ১৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। অকৃতকার্য হয়েছে ৬৮ জন। পাসের হার ৭৪ দশমিক ২৪ শতাংশ।
গাংনী সরকারি পাইলট বালিকা বিদ্যালয় থেকে ৫৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে একজন জিপিএ-৫সহ ৩৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। ২১ জন অকৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার ৬৩ দশমিক ১৫ শতাংশ।
মুজিবনগর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৬৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সাতজন জিপিএ-৫সহ ৩৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। ২৭ জন অকৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার ৫৭ দশমিক ১৪ শতাংশ।
এদিকে গাংনী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৮৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ২১ জন জিপিএ-৫সহ ১৪২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। অকৃতকার্য হয়েছে ৪৪ জন। পাসের হার ৭৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, জিপিএ-৫-এর সংখ্যা ও পাসের হার—উভয় ক্ষেত্রেই গাংনীর সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজ জেলার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। বিপরীতে জেলার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর ফলাফল তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে রয়েছে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :