
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নের দুরারকুটি গ্রামের ফজলুল হক (৪২), তাঁর স্ত্রী সকিনা বেগম (৩৮) এবং ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের তালুক দুলালী গ্রামের মৃত ইমান আলীর স্ত্রী লাইলী বেগম (৫০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের তালুক দুলালী বারোঘড়িয়া এলাকায় নিজ বাড়ির ফটকের সামনে অবস্থান করছিলেন আব্দুল হাকীমের ছেলে উজ্জল মিয়া। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে তাঁর চাচাতো ভাই আলমগীর হোসেন আনন্দের নেতৃত্বে কয়েকজন ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
হামলায় গুরুতর আহত উজ্জল মিয়াকে স্থানীয়রা প্রথমে আদিতমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৭ জুন তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার আদিতমারী থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ৭ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলা দায়েরের পর থেকেই অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩ রংপুর ও আদিতমারী থানা পুলিশের একটি যৌথ দল অভিযান পরিচালনা করে রংপুর শহরের মর্ডান মোড় এলাকা থেকে মামলার তিন এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
লালমনিরহাটের আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
আপনার মতামত লিখুন :