তেল নিয়ে তেলেসমাতি কৃত্রিম জ্বালানি সঙ্কট


প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
তেল নিয়ে তেলেসমাতি কৃত্রিম জ্বালানি সঙ্কট

মোঃ আব্দুস সালাম কমলগঞ্জ থেকে: কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা তেলের মজুত করায়,জ্বালানি তেল নিয়ে দেশে চলছে তেলেসমাতি কারবার। ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল নিয়ে সারা বিশ্বের অস্থিরতা চলছে।

 

 

বাংলাদেশে সে ঢেউ লেগেছে। সে সুযোগ নিয়ে অসৎ কিছু ব্যবসায়ী তেল নিয়ে তেলেসমাতি কারবারে মেতে উঠেছে। এতে করে গ্রাহকদের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি। দায়িত্বশীল মন্ত্রীরা বলছেন, জ্বালানি তেলের যথেষ্ট মজুত রয়েছে। জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, এপ্রিল মাসের তেল আছে, আপাতত দাম বাড়ছে না। জ্বালানি মুজত ও কালোবাজারে ঠেকাতে সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। তারপরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে না।

 

 

অর্থমন্ত্রী বলেছেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী তেলের মজুত করায় বাজারে কিছুটা সঙ্কট সষ্টি হয়েছে। জ্বালানি খাতে সিন্ডিকেটের বিস্তার এতই শক্তিশালী হয়ে উঠেছে যে, সরকারি ডিপোতে পাওয়া গেছে হিসাবের বাইরে গোপনে মজুত করা তেল। বিভিন্ন এলাকায় গোপনে মজুত করা তেল উদ্ধারে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে।

 

 

পাশাপাশি নতুন করে তেল আমদানি বেড়েছে। এর মধ্যে সাগরপথে বিপুল জ্বালানি তেল নিয়ে জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে। ভারত থেকে দুই দফায় পাইপ লাইন দিয়ে ডিজেল এসেছে। তারপরও জ্বালানি তেল নিয়ে চলছে তোলপাড়। পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেল বিক্রি, বিক্রিতে তদারকি, জেলায় জেলায় তদারকি টিম গঠন, কিছু পাম্পে বিজিবি মোতায়েন এবং অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কয়েকজন সদস্যের কাছ থেকে বিপুল জ্বালানি উদ্ধার করেছে।এদিকে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জের বিভিন্ন দোকানে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। কোথাও ১৩০ থেকে ১৫০ টাকায় পেট্রল ও অকটেনের প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে।
সরেজমিনে কয়েকটি বাজারে গেলে দেখা যায়, তেল নেই বলে অনেক দোকান বন্ধ করে রাখা হয়েছে। যেসব দোকান খোলা আছে এগুলোতে বেশি দামে তেল বিক্রি হচ্ছে। তবে ২/১টি পেট্রল পাম্পে আগের দামে তেল বিক্রি হলেও তাও আবার পরিমাণে কম দেওয়া হচ্ছে।

 

কমলগঞ্জের বেশিরভাগ পেট্রলের দোকান বন্ধ, অথচ সবার কাছে পর্যাপ্ত তেল আছে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায় এছাড়া কোথাও বেশি টাকা দিলে তেল পাওয়া যায়। লিটার প্রতি ১০-৩০ টাকা বেশি বিক্রি হচ্ছে।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কেউ যানবাহনে তেল দিচ্ছেন না, দেওয়া হচ্ছেও না।

 

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন বলেন, কেউ বেশি দামে তেল বিক্রি করলে আমরা জরিমানা করবো।

 

 

এদিকে মরার উপরে খাড়ার গা, ​সিলেট বিভাগে হঠাৎ করেই সব ধরনের জ্বালানি তেল সরবরাহ ও পাম্প বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি। ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাম্প্রতিক অভিযানকে ‘চাঁদাবাজি’ ও ‘হয়রানি’ আখ্যা দিয়ে প্রতিবাদস্বরূপ এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। আজ (২ এপ্রিল) সকাল থেকেই সিলেট বিভাগের জেলাগুলোতে পাম্প বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ পরিবহন চালক ও যাত্রীরা।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০