
জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জে প্রায় ৩৪ হাজার ৪৯৪ একর এলাকায় চা চাষ হয়। জেলার চুনারুঘাট, রশিদপুর, মাধবপুর, বাহুবল ও নবীগঞ্জ উপজেলার পাহাড়ি ও টিলাবেষ্টিত এলাকায় এসব চা বাগান গড়ে উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, দেশে বছরে গড়ে প্রায় সাড়ে ৯ কোটি থেকে ১০ কোটি কেজি চা উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে হবিগঞ্জের বাগানগুলো থেকেই বছরে ২ কোটির বেশি কেজি চা উৎপাদন হচ্ছে। অনুকূল আবহাওয়ায় প্রতি হেক্টর জমিতে গড়ে ২০০ থেকে ২৫০ কেজি পর্যন্ত চা-পাতা উৎপাদিত হয়।
হবিগঞ্জের চা শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ করেছে ‘হোয়াইট টি’ বা সাদা চা উৎপাদন। বাংলাদেশের চা ইতিহাসে প্রথমবারের মতো হবিগঞ্জের বৃন্দাবন চা বাগানে এ ধরনের চা সফলভাবে উৎপাদিত হয়েছে। পরে শ্রীমঙ্গল নিলাম কেন্দ্রেও এটি সর্বোচ্চ দর পাওয়ার রেকর্ড গড়ে।
চা বাগান সংশ্লিষ্টরা জানান, চা-পাতা সংগ্রহ ও উৎপাদন প্রক্রিয়ায় নারী শ্রমিকদের অবদান সবচেয়ে বেশি। মোট শ্রমিকের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই নারী, যারা প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে চা শিল্পকে এগিয়ে নিচ্ছেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি হবিগঞ্জের চা শিল্প স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান ও জীবনমান উন্নয়নেও বড় ভূমিকা পালন করছে।
হবিগঞ্জ নিয়ে আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :