
পুলিশ জানায়, উপজেলার বড় শিবপুর যদুপাড়া গ্রামে মাছ ধরার তৌরা জাল ২০০ টাকায় বন্ধক রাখাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে গত ২ সেপ্টেম্বর মুস্তাকিন ও তাঁর মাকে মারধর করা হয়। এতে দুজনই গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাঁদের জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুস্তাকিনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ধামইরহাট থানায় হত্যা মামলা হওয়ার পর পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান শুরু করে। পরে ৩ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার সাহাপুর আঙ্গুরাত কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন রতন হোসেন (২২), সাইদুল ইসলাম (২৪), আইনের সংস্পর্শে থাকা ১৪ বছর বয়সী এক শিশু, রোকেয়া বেগম (৫৫) ও জাকিয়া বেগম (১৯)।
পুলিশের ভাষ্য, গ্রেপ্তার সাইদুল ইসলামের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তাঁর বাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সাবল উদ্ধার করা হয়েছে।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এ অভিযান চালায়। নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে অভিযান পরিচালিত হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :