
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের জমিদার বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আসাদ খোকনের বাড়ি নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আসাদ খোকন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য। পরে তিনি যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি তৎকালীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য বিএম ফরহাদ হোসেন সংগ্রামের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। পরে দলটি থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আসাদ খোকন বিভিন্ন সময় ফেসবুকে রাজনৈতিক বিষয়ে সমালোচনামূলক লেখালেখি করতেন। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্থানীয় সংসদ সদস্য এম এ হান্নানকে নিয়ে তাঁর ফেসবুক পোস্ট ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাঁর বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে শুক্রবার বিকেলে তাঁকে মারধর করা হয়। পরে তাঁকে নাসিরনগর থানায় নিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফারুক মিয়া আসাদ খোকনকে মারধরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম বলেন, আসাদ খোকন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য। তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। শুক্রবার বিকেলে একদল লোক তাঁকে মারধর করে থানায় রেখে যায়।
ওসি বলেন, কারা তাঁকে মারধর করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে আসাদ খোকনের বিরুদ্ধে থানায় কোনো মামলা নেই। তাই আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হবে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :