এরআগে বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকাল সাড়ে ৮টায় গাজীপুর জেলার কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পুলিশের প্রিজনভ্যান যোগে মমতাজ বেগমকে মানিকগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয়।
এসময় মমতাজ বেগমকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট আর হেলমেট পরিধান করে আনা হয়। আদালতের অভ্যন্তরে মমতাজকে এজলাসে তোলার সময় বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়।
এছাড়া আদালত চত্বরে বিএনপিপন্থি আইনজীবী ও দলীয় নেতাকর্মী মমতাজের ফাঁসি দাবি করে বিক্ষোভ করেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আজাদ হোসেন খান। তবে মমতাজ বেগমের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না বলে মানিকগঞ্জ কোর্ট (আদালতে)র ওসি আবুল খায়ের নিশ্চিত করেছেন।
মানিকগঞ্জ কোর্ট আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালে সিংগাইর উপজেলার গোবিন্দল এলাকায় হরতালের সমর্থনে মিছিলে পুলিশের গুলিতে চারজন নিহত হন। এ ঘটনায় মমতাজ বেগমকে প্রধান আসামি করে গত ২৫ অক্টোবর উপজেলার গোবিন্দল গ্রামের মো. মজনু মোল্লা বাদী হয়ে সিঙ্গাইর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
এরপর তার নির্বাচনী এলাকা হরিরামপুর থানায় হামলা, মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগে আরেকটি মামলা রয়েছে। গত ২৯ অক্টোবর হরিরামপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন মামলাটি করেন।


আপনার মতামত লিখুন :