
রোববার রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এবং জিআইজেডের ক্লাস্টার কোঅর্ডিনেটর থমাস রল্ফের পক্ষে গুনডলফ ক্লেন সমঝোতা স্মারকে সই করেন।
পোশাক খাতে কার্বন নিঃসরণ কমাতে বিজিএমইএ-আইভি ডিকার্বের সমঝোতা
বিজিএমইএ জানায়, ২০২৬ সালের মে থেকে ২০২৮ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেয়াদি এ সমঝোতার আওতায় বাংলাদেশের পোশাক খাতে টেকসই উন্নয়ন, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি ও সার্কুলার অর্থনীতি বাস্তবায়নে উভয় প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে কাজ করবে। পোশাক শিল্পের উন্নয়নে বিজিএমইএ ও জিআইজেডের মধ্যে এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক।
অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর সহসভাপতি ভিদিয়া অমৃত খান, মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী, পরিচালক শাহ রাঈদ চৌধুরী, শেখ হোসেন মোহাম্মদ মোস্তাফিজ ও এনামুল আজিজ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। জিআইজেড বাংলাদেশের এসটিআইএলই-২ প্রকল্পের প্রধান মাইকেল ক্লোডে ও মো. তানভীর মাসুদও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
বিজিএমইএ ভবনে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, বাণিজ্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা
সমঝোতা স্মারকের আওতায় STILE II, SCAIP, EE4DEV, TVET4RE, SOSI, SKILLs4SE, CIRCLE ও PDP প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে কারখানাগুলোকে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, ডিকার্বোনাইজেশন, ট্রেসেবিলিটি, জ্বালানি দক্ষতা ও সার্কুলারিটির বিষয়ে প্রস্তুত করা হবে।
এ ছাড়া পোশাক খাতে উন্নত রাসায়নিক ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ দূষণ কমানো, এনার্জি অডিট, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষায় ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।
পোশাক খাতের ঝুট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস তৈরি এবং প্রকৌশল ও ব্যবস্থাপনায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ‘শক্তি কন্যা’ নেটওয়ার্ককে আরও সক্রিয় করার কথাও জানানো হয়।
স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, এই অংশীদারত্ব বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে দায়িত্বশীল ও পরিবেশবান্ধব বৈশ্বিক হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জিআইজেডের পক্ষ থেকেও বাংলাদেশের পোশাক খাতের টেকসই রূপান্তরে কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেওয়া হয়।
আপনার মতামত লিখুন :