
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে সরকারের উচ্চপর্যায়ের ওই সূত্র।
সূত্র জানায়, এমপিওভুক্ত স্কুল কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীরা জাতীয় বেতন স্কেলের আওতাভুক্ত। ফলে তাদের নবম পে স্কেলের বাইরে রাখার সুযোগ নেই। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য যেদিন থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর হবে, একই সময় থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরাও এর আওতায় আসবেন।
তবে নতুন পে স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের মতো সব ধরনের ভাতা সুবিধা এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা পাবেন না বলে জানিয়েছে সূত্রটি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমে বলেন, এমপিওভুক্ত জনবল নবম পে স্কেলের আওতায় আসবেন। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য যখন থেকে পে স্কেল কার্যকর হবে, তখন থেকেই শিক্ষকরাও নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা পাবেন।
এর আগে সোমবার (৩১ আগস্ট) সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন বেতন কাঠামোয় সর্বোচ্চ গ্রেড ১ এর বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা ও বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার পর নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিভিন্ন গ্রেডের বেতন পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
নতুন কাঠামো অনুযায়ী, গ্রেড ১ এর সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং ২০তম গ্রেডের সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরাও নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় আসবেন। তবে তাদের ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধার ক্ষেত্রে সরকারি চাকরিজীবীদের সঙ্গে পার্থক্য থাকবে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :