
ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) রোববার (১৫ মার্চ) জানায়, ‘ইয়া জাহরা’ কোড নামে তারা এক বিশাল প্রতিশোধমূলক অভিযান শুরু করেছে। এই অভিযানে কেবল সেজ্জিল নয়, বরং অত্যাধুনিক দ্বৈত ওয়ারহেড বিশিষ্ট খোররামশাহর, খায়বার, কদর ও এমাদ ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বড় বহর ব্যবহার করা হয়েছে।
উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে নেই নেতানিয়াহু, জোরালো হচ্ছে মৃত্যুর গুঞ্জন
আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ‘সেজ্জিল’ উৎক্ষেপণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কঠিন জ্বালানি চালিত এই ক্ষেপণাস্ত্রটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম, যা ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, ইরানের নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে তেল আবিব ও হার্জলিয়াসহ ইসরায়েলের অন্তত ১৪১টি স্থানে একযোগে বিপদ সংকেত বা সাইরেন বেজে ওঠেছে। এই পরিস্থিতিতে প্রাণভয়ে হাজার হাজার ইসরায়েলি নাগরিক ঘরবাড়ি ছেড়ে ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে আশ্রয় নেন।
এদিকে ইরান দাবি করেছে, তাদের এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান কমান্ড সেন্টার ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলো। তারা সুনির্দিষ্টভাবে সেসব লক্ষ্যবস্তুতেই আঘাত হেনেছে।
আপনার মতামত লিখুন :