
তিনি বলেন, শক্তিশালী ও ন্যায়ভিত্তিক সিরিয়া পুনর্গঠনের মাধ্যমে দেশকে নতুন পথে এগিয়ে নেওয়া হবে।
সোমবার ভোরে দামেস্কের ঐতিহাসিক উমাইয়া মসজিদে ফজরের নামাজ শেষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আল শারা দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “কেউ আমাদের পথ রোধ করতে পারবে না। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করব।”
সামরিক পোশাকে দেওয়া এ বক্তব্যে তিনি উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম—সব অঞ্চল মিলিয়ে ‘এক নতুন সিরিয়া গড়ার’ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
টিআরটি ওয়ার্ল্ড সানা’র বরাত দিয়ে জানায়, প্রেসিডেন্ট শারা দেশকে পুনর্গঠনের পরবর্তী ধাপে দুর্বল জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানো এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাকে প্রধান অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন।
গত ডিসেম্বরে রাশিয়ায় পালিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে বাশার আল আসাদের ২৫ বছরের শাসন এবং ১৯৬৩ সাল থেকে টানা ক্ষমতায় থাকা বাথ পার্টির অধিকারিক যুগের অবসান ঘটে।
এরপর চলতি বছরের জানুয়ারিতে শারা নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণ করে।
আসাদ সরকারের পতনের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে সিরিয়ার নাগরিকরা দেশব্যাপী উদ্যাপন করছে।
তারা বলছেন, দীর্ঘ দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে নতুন প্রশাসন দেশে স্বাধীনতা, উন্নয়ন এবং নিরাপত্তা পুনঃস্থাপনের পথে এগোচ্ছে।
নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিদ্যুৎ, বেতনসহ মৌলিক পরিষেবা পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
জুনের এক ডিক্রিতে সরকারি কর্মচারীদের বেতন ২.৫ লাখ সিরিয়ান পাউন্ড থেকে বাড়িয়ে ৭.৫ লাখ পাউন্ড নির্ধারণ করা হয়, যা জনসাধারণের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়েছে। সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
আপনার মতামত লিখুন :