অবকাঠামো উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত পরিচালক আরিফ উদ্দিন


প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : ৫ অক্টোবর, ২০২৪, ২:৫০ অপরাহ্ণ
অবকাঠামো উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত পরিচালক আরিফ উদ্দিন

এম এস শবনম শাহীন: নদীমাতৃক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নৌ পরিবহন খাতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি, মৎস্য সম্পদ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে নদীর গুরুত্ব অপরিসীম বিবেচনায় নিয়ে নদী রক্ষায় সার্বিক ও সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও সার্বিক নির্দেশনায় নৌ-সেক্টর দ্রুত বিকশিত হচ্ছে। বিভিন্ন নদী বন্দরের আধুনিকায়ন ও উন্নয়ন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) অতিরিক্ত পরিচালক হিসেবে পদন্নোতি পেয়ে এ কে এম আরিফ উদ্দিন দায়িত্ব পালন করছেন।

গত ১৪ জুলাই ২০২২ সাল থেকে তিনি এখন অবধি সৎ ও নিষ্ঠার সাথে মতিঝিল প্রধান কার্যালয়ে অতিরিক্ত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

নদী রক্ষায় ২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারি ঢাকা নদীবন্দর অঞ্চলের চার নদীর অবৈধ দখলমুক্ত করতে অভিযান শুরু করে বিআইডব্লিউটিএ। বুড়িগঙ্গা নদীর খোলামুড়া ঘাট এলাকা থেকে শুরু হয়ে অভিযান চলে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদীর তীরভূমিতে। তাতে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির সে সময়ের যুগ্ম পরিচালক ও ঢাকা নদীবন্দরের নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা একেএম আরিফ উদ্দিন। যিনি বর্তমানে মতিঝিল প্রধান কার্যালয়ে অতিরিক্ত পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৪ মার্চ পর্যন্ত ৬৮ দিনের অভিযানে ছয় হাজার ৩৮৭টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং তীরভূমির ১৬৪ দশমিক ২৫ একের জায়গা উদ্ধার হয়। এই অভিযানে বেশ সাহসিকতার সঙ্গে নিজের দায়িত্ব পালন করেন একেএম আরিফ উদ্দিন।

উচ্ছেদের পর তীরভূমি রক্ষায় শত বছরের গ্যারান্টিযুক্ত সীমানা খুঁটি বসছে ঢাকাকে ঘিরে থাকা চার নদীর তীরভূমিতে। পাশাপাশি তীরভূমিকে ঢাকাবাসীর জন্য বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।

তৎকালীন সময়ে অভিযানের শুরু থেকেই সাহসী ভূমিকা পালন করেন এই কর্মকর্তা। তার নেতৃত্বে ঢাকা নদীবন্দরের চার নদীর তীরে অবৈধভাবে গড়ে তোলা সাড়ে সাত হাজারের বেশি অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। নদীর তীরে ও তীরভূমির জায়গা দখল করে এসব অবৈধ স্থাপনা যেমন স্থানীয় সাধারণ মানুষ গড়ে তুলেছিলেন, তেমনি দখলদারের ভূমিকায় ছিলেন একাধিক সংসদ সদস্য, দুদক আইনজীবীসহ নানা প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান।

অভিযানে ঢাকা-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিম, ঢাকা-১৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আসলামুল হক, দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজলসহ অনেক প্রভাবশালীর অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বলা হয়, তখনকার সময়ে এই অভিযানে বেশ সাহসিকতার সঙ্গে নিজের দায়িত্ব পালন করেছিলেন বর্তমান অতিরিক্ত পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন।
সে সময় দায়িত্বে অটল থেকে সকল অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিতে দেখা গেছে আরিফ উদ্দিনকে। আবার এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অনেক ধরনের বাধা ও হামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাকে।

উল্লেখ্য, গত ২০২০ সালের ৩০ অক্টোবর পদন্নোতি সাপেক্ষে অতিরিক্ত পরিচালক হিসেবে ঢাকা নদীবন্দর থেকে এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সদরঘাট থেকে বদলি করা হয় সংস্থাটির মতিঝিল প্রধান কার্যালয়ে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০