
‘ছাত্র রাজনীতি’, ‘গুপ্ত রাজনীতি’ নিয়ে যে সংঘাতের যাত্রা শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম থেকে, আমার ধারণা এটা খুব শিগগিরই সারাদেশেও ছড়িয়ে পড়বে। অথচ এটা কি খুব জরুরি ছিল? কেন এই সংঘাতের জন্ম হচ্ছে? কেন এটা ছড়িয়ে পড়ছে? আমি মনে করি এটা আমাদের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে ‘কথা’ নামের নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিওতে এসব কথা বলেন তিনি।
শহীদ মিনারে জামায়াত আমীরকে প্রশ্ন করে জব্দ করার প্রবণতা দেখা গেছে: মাসুদ কামাল
মাসুদ কামাল বলেন, এটা ছড়িয়েও পড়ছে। এরই মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বলতেছেন, তারা না কি গুপ্ত রাজনীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছেন এবং ওরাও দেখলাম বিভিন্ন জায়গায় দেয়াল লিখন দিচ্ছেন যে ‘গুপ্ত রাজনীতি বন্ধ করতে হবে’। গুপ্ত রাজনীতি কি প্রশংসনীয় কোনো কাজ? যদি কেউ ‘ছাত্র রাজনীতি’ কেটে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ লেখেন, তাহলে এতে কি কোনো একটা ছাত্র রাজনীতিক দলের উদ্বিগ্ন হওয়ার অথবা দুঃখিত হওয়ার কোনো কারণ আছে?
তিনি বলেন, যতটুকু বুঝেছি ছাত্রশিবিরের লোকেরা খুব বিক্ষুব্ধ হয়েছেন। কারণটা কী? তারা কি নিজেদেরকে গুপ্ত রাজনৈতিক দল মনে করেন? তা তো নয়। একটা সময় ছিল যখন না কি শেখ হাসিনা সরকার ছিল তখন ছাত্রলীগের চেহারায়, ছাত্রলীগের মধ্যে, ছাত্রলীগের নাম নিয়ে ছাত্রশিবিরের ছেলেরা-মেয়েরা রাজনীতি করত।
এটা তাদের একটা কৌশলও হতে পারে। তারা এটা বললেই হয় যে এটা আমাদের কৌশল ছিল। তারা এতে ক্ষিপ্ত হচ্ছে কেন? ‘গুপ্ত’ নিয়ে ক্ষিপ্ত হওয়ার কী আছে? এই জিনিসটা কিন্তু আমার কাছে এখনো ক্লিয়ার না। তারা তো বলতেই পারে যে একসময় আমরা এটা করেছি, এটা আমাদের স্ট্র্যাটেজি ছিল। তা না হলে আমরা টিকে থাকতে পারতাম না। অতএব টিকে থাকার জন্য আমরা এটা করতে বাধ্য হয়েছি।
আপনার মতামত লিখুন :