
ভিডিও বার্তায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, বাবুগঞ্জ ও মুলাদীর মতো বিশাল ও প্রত্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালানো বেশ ব্যয়বহুল ও চ্যালেঞ্জিং। জনসংযোগ, যাতায়াত এবং প্রচার কার্যক্রমের গতি ধরে রাখতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন, যা বর্তমানে তার কাছে নেই। তিনি সরাসরি স্বীকার করেন, নির্বাচন পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বা আয়—কোনোটিই আমার নেই। তাই জনগণের পাশে দাঁড়াতে আমি জনগণেরই সহযোগিতা চাচ্ছি।
২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, “জুলাই সনদের ভিত্তিতে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার লড়াই চলছে। এই সংগ্রাম শহীদদের আমানত। ইনসাফ ও আজাদির এই লড়াইয়ে শামিল হতে আমি আপনাদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। জনতার টাকায় জনমুখী রাজনীতি’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে ব্যারিস্টার ফুয়াদ তার ফেসবুক পোস্টে আর্থিক সাহায্যের জন্য বিকাশ, নগদ নম্বর এবং একটি ব্যাংক হিসাবের তথ্য শেয়ার করেছেন।
এবি পার্টির এই প্রার্থীর এমন উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় ভোটাররা। মুলাদী উপজেলার চরকালেখান নোমরহাট এলাকার বাসিন্দা নাইমুল হোসেন বলেন, আমাদের দেশে রাজনীতিকরা সাধারণত নির্বাচনের সময় টাকার দাপট দেখান। সেখানে ব্যারিস্টার ফুয়াদ নিজের আর্থিক সীমাবদ্ধতার কথা প্রকাশ করে সততার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সাধারণ মানুষের টাকা নিয়ে নির্বাচন করলে জনগণের প্রতি তার দায়বদ্ধতা আরও বাড়বে।
উল্লেখ্য, বরিশাল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ইতোমধ্যে ব্যারিস্টার ফুয়াদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে থেকেই তিনি এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন। এখন আর্থিক প্রতিকূলতা কাটিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে কতটা টিকে থাকতে পারেন, সেটিই দেখার বিষয়।
আপনার মতামত লিখুন :