
ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছে স্পেন। সেই সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান রাখা ফুটবলার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির মিডফিল্ডার রদ্রি। টুর্নামেন্টজুড়ে স্পেনের মাঝমাঠের ভারসাম্য, বলের দখল ধরে রাখা এবং আক্রমণ-রক্ষণে সংযোগ তৈরির দায়িত্ব ছিল মূলত তার কাঁধে।
গোল কিংবা অ্যাসিস্টের পরিসংখ্যানে রদ্রির নাম চোখে না পড়লেও মাঠে তার প্রভাব ছিল স্পষ্ট। প্রতিটি ম্যাচে বলের নিয়ন্ত্রণ, খেলার গতি নির্ধারণ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ ভেঙে দেওয়ার কাজে ছিলেন অনন্য। কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতেই ছিলেন তিনি।
বিশ্বকাপে স্পেনের রক্ষণভাগও ছিল দুর্দান্ত। পুরো টুর্নামেন্টে দলটি মাত্র একটি গোল হজম করেছে। মাঝমাঠে রদ্রির উপস্থিতি রক্ষণভাগকে বাড়তি নিরাপত্তা দিয়েছে, একই সঙ্গে আক্রমণ গড়ার ভিত্তিও তৈরি করেছে।
টুর্নামেন্টে আটটি ম্যাচ খেলে রদ্রি ৬৫০টির বেশি সফল পাস দিয়েছেন। পাশাপাশি উচ্চগতির দৌড় বা হাই-ইনটেনসিটি রানের সংখ্যাতেও তিনি ছিলেন সবার ওপরে। এসব পরিসংখ্যানই স্পেনের খেলায় তার গুরুত্ব তুলে ধরে।
বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার সাধারণত গোলদাতা বা আক্রমণভাগের ফুটবলারদের হাতে বেশি দেখা যায়। কিন্তু এবার ব্যতিক্রম ঘটেছে। রদ্রির ধারাবাহিকতা, ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা এবং দলগত অবদান বিচারকদের মুগ্ধ করেছে।
এবারের আসরে লিওনেল মেসি ৮ গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করে আলোচনায় ছিলেন। তবু শেষ পর্যন্ত বিচারকদের চোখে এগিয়ে থেকে গোল্ডেন বল জিতেছেন রদ্রি। এর মধ্য দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, ফুটবলে সাফল্য সবসময় গোলের সংখ্যা দিয়ে মাপা যায় না।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :