
তৈরি হয়েছে এক অভূতপূর্ব ও রোমাঞ্চকর প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
টুর্নামেন্টের শেষে সর্বোচ্চ গোলদাতাকে এই বহু আকাঙ্ক্ষিত পুরস্কারটি প্রদান করা হয়। যদি দুই বা ততোধিক খেলোয়াড়ের গোল সংখ্যা সমান হয়, তখন গোলে কে বেশি অ্যাসিস্ট করেছে বিবেচনায় নিয়ে পুরস্কারটি দেওয়া হয়। খবর চ্যানেল নিউজ এশিয়া
এরপরও যদি নিষ্পত্তি না হয় তখন মোট খেলার সময় বিবেচনা করা হবে এবং যিনি কম মিনিট খেলেছেন, তাঁকে প্রথম হিসেবে গণ্য করা হয়।
৩৯ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে প্রতিটি ম্যাচেই গোল করেছেন। রাউন্ড অব ১৬-এ মিসরের বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানের জয়ের ম্যাচেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ গোল পান। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে তিনি বিশ্বকাপে মিরোস্লাভ ক্লোসার সর্বোচ্চ ১৬ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করেছেন। তিনি ৫ ম্যাচে ৮ গোল করেছেন, এর মাঝে একটি অ্যাসিস্টও রয়েছে।
গত বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটজয়ী কিলিয়ান এমবাপ্পে ৭ গোল এবং ২টি অ্যাসিস্ট নিয়ে মেসির ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছেন। যদি গোলসংখ্যা সমান হয়, তবে ফিফার নিয়ম অনুযায়ী বেশি অ্যাসিস্ট করার কারণে এমবাপ্পেই এই মুহূর্তে টাইব্রেকারে এগিয়ে থাকবেন।
নিজের প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে এসেই আরলিং হালান্ড নরওয়েকে কোয়ার্টার ফাইনালে টেনে তুলেছেন। রাউন্ড অব ১৬-এ শক্তিশালী ব্রাজিলের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের জয়ের ম্যাচে তিনি একাই জোড়া গোল করেন। এতে ৫ ম্যাচে তার গোল সংখ্যা ৭।
এমবাপ্পের গোল সংখ্যা সমান হওয়ায় অ্যাসিস্ট বিবেচনায় পিছিয়ে রয়েছেন এই ম্যানসিটির তারকা।
২০১৮ বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জয়ী হ্যারি কেইন মেক্সিকোর বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করে নিজের গোলসংখ্যা ৬-এ নিয়ে গেছেন। এতে তার একটি অ্যাসিস্টও রয়েছে। তিনি এই তালিকায় চতুর্থ নম্বরে আছেন। ইংল্যান্ডের এই অধিনায়ক যেকোনো মুহূর্তে বাকিদের ছাড়িয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখেন।
দল বর্ধিত এই বিশ্বকাপে ফাইনালিস্ট হলে ৮ ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। যা এই গোলমেশিনদের জন্য এক টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড (জাস্ট ফন্টেইনের ১৩ গোল) ভাঙার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। ফক্স স্পোর্টসের বেটিং অডস অনুযায়ী, তালিকায় এই মুহূর্তে মেসি (+১২০) এবং এমবাপে (+১৪০) সবচেয়ে ফেভারিট হিসেবে রয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন :