
ঘটনার তদন্তে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এ.বি.এম. খালিদ হোসেন সিদ্দিকীকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
ফটোকপির দোকান ঘিরে অভিযোগ
অভিযোগ উঠেছে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের জনি ফটোকপি দোকান থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। বিষয়টি জানার পর সহকারী কমিশনার মির্জা শহিদুল ইসলাম ওই দোকানে অভিযান চালান। অভিযানে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার রাতে ২০২৭ সালের এসএসসি টেস্ট পরীক্ষার বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটে। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তদন্ত কমিটি গঠন, পরীক্ষার নতুন তারিখ
ঘটনার খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক ও বিদ্যালয়ের সভাপতি লুৎফুন নাহার চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি। সভায় বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কমিটির সদস্যদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার কথা জানান।
জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, “প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।”
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ রেজাউল করিম বলেন, “গত রাতে ২০২৭ সালের এসএসসি টেস্ট পরীক্ষার বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্ন ফাঁস হয়। এরপর বাংলা পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। স্থগিত পরীক্ষাটি আগামী শনিবার (৩১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হবে। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা জানতে প্রশাসন কাজ করছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কোনো শিক্ষক জড়িত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আপনার মতামত লিখুন :