
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১১টার দিকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. জাকির হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাইসুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে সিলগালা ভেঙে দানবাক্স দুটি খোলা হয়।
পরে লালন একাডেমি ভবনের চতুর্থ তলায় প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলে টাকা গণনা। গণনা শেষে পাওয়া যায় ৮ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা।
এর আগে, গত ১০ অক্টোবর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে দানবাক্স খুলে টাকা গণনা করা হয়। সেদিন পাওয়া গিয়েছিল ৬ লাখ ৪৯ হাজার ৩৪৮ টাকা। পরদিন ওই অর্থ লালন একাডেমির ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়া হয়।
টাকা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাইসুল ইসলাম। তিনি বলেন, ফকির লালন সাঁইয়ের দুটি উৎসবকে কেন্দ্র করে বছরে চারবার দানবাক্স খোলা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৩৬তম তিরোধান দিবসের সাত দিন পর দানবাক্স খুলে ৮ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা পাওয়া গেছে।
ইউএনও আরও জানান, পাওয়া অর্থ সোমবারই নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়া হবে।
আপনার মতামত লিখুন :