
শনিবার (২৪ অক্টোবর) প্রকাশিত এ অ্যানিমেশনের লক্ষ্য বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাভাষী শিশুদের কাছে পরিচিত নীতিগল্পটি সহজভাবে উপস্থাপন করা।
‘শেয়াল ও সারস’ গল্পে দেখা যায়, শিয়াল তার লম্বা ঠোঁটের কথা জানার পরও সারসকে চ্যাপ্টা থালায় খাবার পরিবেশন করে। ফলে সারস খাবার খেতে পারে না। পরে সারসও শিয়ালকে নিজের বাড়িতে নিমন্ত্রণ করে সরু গলার পাত্রে খাবার পরিবেশন করে। সারস সহজে খাবার খেতে পারলেও শিয়াল তা খেতে পারে না।
গল্পটির মাধ্যমে অন্যের সঙ্গে খারাপ আচরণ, উপহাস ও অসম্মানের পরিণতি তুলে ধরা হয়েছে। এর মূল শিক্ষা—অন্যের সঙ্গে এমন আচরণ করা উচিত নয়, যা নিজের ক্ষেত্রে ঘটলে কষ্টের কারণ হতে পারে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহানুভূতি ও সৌজন্যবোধ গড়ে তোলাই গল্পটির অন্যতম বার্তা।
অ্যানিমেশনটির ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর ও অ্যানিমেটর মাসুদ করিমের ভাষ্য অনুযায়ী, আনন্দপাঠকে শুধু বাংলাদেশের দর্শকের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিশুদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজটি তৈরি করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এতে 3D CGI ভিজ্যুয়াল, সাউন্ড ডিজাইন এবং সাতটি ভাষায় ভয়েস ডাবিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অ্যানিমেশনটির মূল গল্প ঈশপের ‘The Fox and the Stork’। এটি পরিবেশনা করেছে আনন্দপাঠ এবং প্রযোজনা করেছে ড্রিমমেকার ক্রিয়েটিভ স্টেশন।
অ্যানিমেশনটি দেখতে আনন্দপাঠের ইউটিউব ভিডিওতে ক্লিক করুন। প্ল্যাটফর্মটির অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেল থেকেও অন্যান্য কনটেন্ট দেখা যাবে।
আপনার মতামত লিখুন :