
অভিযানের পর আবারও তারা রাস্তা দখল করে নিয়মিত বাজার বসাচ্ছে। মুলত এই অবৈধ কাঁচাবাজারের মূলে রয়েছে চাঁদাবাজি। এই চাঁদাবাজদের ধরতে না পারলে এর কোন স্থায়ী সমাধান হবে না বলে স্থানীয়রা মনে করেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,মোহাম্মদ পুর আল্লা করিম বাসস্টান্ড থেকে মোহাম্মদ পুর বসিলামুখী তিনরাস্তার মোড় পর্যন্ত মেইন রোড দখল করে কাঁচাবাজার গড়ে উঠেছে। কয়েক শত দোকান গড়ে উঠেছে রাস্তার মাঝে। এতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। দোকান কয়েকটি সারিতে গড়ে ওঠায় রাস্তার মাঝে চলে এসেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক দোকানের কর্মচারী বলেন, রাস্তার মাঝে কাঁচাবাজার বসানোই যানজটের মূল কারন। এখানে কোন দোকানদার নিয়ম না মেনে দোকান বসায়।
এসব দোকান থেকে স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের নেতৃবৃন্দ নিয়মিত চাঁদা নেন। তিনি আরও বলেন, এখানকার সব চাঁদাবাজির টাকা থানার পুলিশও নেন।আরেক দোকান মালিক বলেন, আমরা চাইলেই টাউন হলে বা রায়ের বাজার কাঁচাবাজারে দোকান দিতে পারবো না। অনেক টাকা এডভান্স করে ওদিকে দোকান পেতে হয়। দোকান খালি পাওয়াও যায় না। কিন্তু এখানে কম খরচে নেতাদের মাধ্যমে দোকান দিতে পারছি। এতে আমার সংসার চলছে। তিনি আরও বলেন,সরকার যদি আমাদের বিকল্প ব্যাবস্থা করে তাহলে রাস্তা থেকে সরে যাবো। বাজারে উপস্থিত পথচারী রাশেদুল সিদ্দিক অনেকটা ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, এখন শুধু এই মেইন রোড দখল নয়, দেশটাই তো দখলবাজি চলছে। কোথাও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নেই। রাস্তার অর্ধেক যদি কাচাঁবাজার দিয়ে দখল করা থাকে তাহলে যানজট তো লেগেই থাকবে এটাই স্বাভাবিক। এজন্য সিটি করপোরেশন প্রশাসন সহ নগরবাসীকে এগিয়ে আসতে হবে এবং উচ্ছেদ অভিযানে সিটি করপোরেশন কে সহযোগিতা করতে হবে। এবিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এর মোহাম্মদ পুর জোনের নির্বাহী কর্মকর্তা মো:খয়বর হোসেনের কাছে লাখোকণ্ঠের পরিচয় দিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমরা উচ্ছেদ অভিযানের উদ্যোগ নিয়েছি, আগামী ১৪ জুলাই থেকে মোহাম্মদ পুরে উচ্ছেদ অভিযান কার্যক্রম চালানো হবে।
আপনার মতামত লিখুন :