
এক চিঠিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, পার্শ্ববর্তী দেশে সেবা প্রদানে এনজিএসও লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক, সাবমেরিন ক্যাবল লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল পিএলসির সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তির আওতায় ব্যান্ডউইথ গ্রহণ করতে পারে। একটি পত্রের মাধ্যমে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে অবহিত করা হয়েছে।
সেই চুক্তির আওতায় সাবমেরিন ক্যাবল লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল পিএলসি স্টারলিংককে আনফিল্টার্ড আইপি ট্রানজিট সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের পত্রের বিষয়বস্তুর আলোকে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
এদিকে, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের টেলিকম শাখা থেকে বিটিআরসিতে পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে ‘স্টারলিংক’ এর ৩ বছর মেয়াদী আইপিএলসি সংযোগের চুক্তি রয়েছে বলে জানা গেছে। পার্শ্ববর্তী দেশে সেবা দিতে ‘স্টারলিংক’, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানির সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তির আওতায় ব্যান্ডউইথ গ্রহণ করতে পারে।
তবে সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি যদি প্রয়োজনীয় ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করতে না পারে সেই ক্ষেত্রে সামিট কমিউনিকেশন লিমিটেড এবং ফাইবার এট হোম লিমিটেডের কাছ থেকে ব্যান্ডউইথ নেয়ার বিষয়ে বিবেচনা করা যেতে পারে। এ পরিস্থিতিতে উক্ত চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেডের মাধ্যমে ‘স্টারলিংক’ কে আনফিল্টার্ড আইপি ট্রানজিট সেবা দেয়ার বিষয়ে নির্দেশক্রমে অবহিত করা হলো।
এর আগে গত বছরের মে মাসে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা দেয়া শুরু করে স্টারলিংক। এরপর থেকেই দ্রুত বাড়ছে প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক সংখ্যা। মানসম্মত গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে কালিয়াকৈরের হাইটেক পার্কে দুটি, রাজশাহী ও যশোরে একটি করে মোট চারটি গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপন করেছে স্টারলিংক।
সিঙ্গাপুরকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে ভুটানসহ পার্শ্ববর্তী দেশে ইন্টারনেট সেবা দিতে চায় স্টারলিংক। এ লক্ষ্যে গাজীপুরে হাইটেক পার্কে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গ্রাউন্ড স্টেশন বাসনোর পরিকল্পনা প্রতিষ্ঠানটির। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) দেয়া চিঠিতে, বাংলাদেশকে হাব করে অন্য দেশে ডাটা পরিবহনের অনুমোদন চেয়েছিল তারা।
আপনার মতামত লিখুন :