
পবিত্র কোরআন এই রাতেই অবতীর্ণ হয়েছে। কোরআনে ‘আল-কদর’ নামে একটি সূরা রয়েছে, যেখানে এই রাতের ফজিলত ও মর্যাদা বর্ণনা করা হয়েছে। ‘শবেকদর’ শব্দটি ফারসি; ‘শব’ অর্থ রাত এবং ‘কদর’ অর্থ মর্যাদা বা সম্মান। আরবি ভাষায় এ রাতকে বলা হয় লাইলাতুল কদর, যার অর্থ সম্মানিত বা মহিমান্বিত রাত।
ইসলামি বর্ণনা অনুযায়ী, এই রাতে মহান আল্লাহ মানবজাতির ভাগ্য নির্ধারণ করেন এবং বান্দাদের সম্মান বৃদ্ধি করেন। তাই মুসলমানদের কাছে এই রাত অত্যন্ত পুণ্যময় ও তাৎপর্যপূর্ণ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এই রাতে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি ও দোয়া করার জন্য উম্মতকে আহ্বান জানিয়েছেন।
পবিত্র কোরআনে উল্লেখ রয়েছে, শবেকদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। ফলে এই রাতে ইবাদত করলে অন্য সময়ের দীর্ঘ ইবাদতের চেয়েও বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। এ কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মুসলমানদের মতো বাংলাদেশের মুসলমানরাও নিজেদের গুনাহ মাফ এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় রাতভর ইবাদতে মশগুল থাকবেন।
আপনার মতামত লিখুন :