
বুধবার (৬ মে) সচিবালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বাতিল নয় বরং এই বাণিজ্য চুক্তির প্রতি সরকার শ্রদ্ধাশীল। এই চুক্তির অধীনেই বাণিজ্য বাড়াতে চায় দু’দেশ। তবে, বাংলাদেশের স্বার্থ পরিপন্থী কোনো বিষয় থাকলে তা নিয়ে আলোচনা চলবে।
সবার সঙ্গে বন্ধুতপূর্ণ সম্পর্কের পথ ধরে বাণিজ্য বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেমন মার্কিন স্বার্থ রক্ষা করছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও বাংলাদেশের স্বার্থ সুরক্ষা করবেন। বাংলাদেশ এক্সক্লুসিভ সম্পর্কে বিশ্বাসী নয়, ইনক্লুসিভ সম্পর্কে বিশ্বাসী। তাই যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি বন্ধুপ্রতিম সব দেশের সঙ্গেই আলোচনা চলছে। যাতে বাণিজ্য বাড়ানো যায়।
তিনি আরও বলেন, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে চুক্তিকে কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ। বাণিজ্য বৃদ্ধি, বিশেষ করে ওষুধ শিল্প খাতে রফতানি বাড়ানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
মোদি–পুতিন বৈঠক: বাণিজ্য, জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় জোর
এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের উৎপাদনশীলতা ও প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ সময় বাংলাদেশ শুধু একক কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে বিশ্বাসী নয় জানিয়ে তিনি বলেন, সবার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে বাণিজ্য বৃদ্ধিকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
আপনার মতামত লিখুন :