
অভিযোগটি করেছেন কথিত মাও. হাকীম মো. মহিববুল্লাহ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক দাবি করা মো. মনিব উদ্দিন। তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
জানা যায়, হাতিয়া উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের মির্ধা গ্রামের পোলের গোড়া এলাকায় মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে কাগজপত্রে উল্লেখ রয়েছে। তবে সরেজমিনে গিয়ে সেখানে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। নির্ধারিত স্থানে কেবল জমির মালিকদের দোকান নির্মাণের জন্য করা কিছু ইটের গাঁথুনি দেখা গেছে।
স্থানীয়দের দাবি, বাস্তবে কোনো মাদ্রাসা না থাকলেও কাগজে-কলমে সেখানে ভবন, তিনজন সহকারী শিক্ষক, একজন অফিস সহকারী এবং প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী দেখানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এ তথ্যের ভিত্তিতে হাতিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে প্রতিবছর শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন বইও সংগ্রহ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী মো. মনিব উদ্দিন বলেন, তিনি ২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান এবং ৮ নভেম্বর যোগদান করেন। এরপর নিয়মিত পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি মাদ্রাসার ঘর মেরামত ও মাঠ সংস্কারে নিজের অর্থ থেকে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৪২০ টাকা ব্যয় করেন বলে দাবি করেন।
তার অভিযোগ, প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মাওলানা মো. মহিববুল্লাহ তার অজান্তে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে সুলতানা বেগম নামে আরেকজনকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মাওলানা মো. মহিববুল্লাহ বলেন, “মাদ্রাসাটি আমার। কাকে নিয়োগ দেব, আর কাকে দেব না, সেটা আমার বিষয়। আমি নিয়ম মেনেই যা করার করেছি।”
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :