
উপজেলার হাটখালী, রানীনগর, মানিকহাট ও সাগরকান্দি ইউনিয়নে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১১ দশমিক ৫৮ মিটার দৈর্ঘ্যের আটটি সেতু নির্মাণের কাজ পায় ‘রুনু কনস্ট্রাকশন, কাশীনাথপুর’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
প্রকল্পসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি সেতুর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪২ লাখ ৬৩ হাজার ৯০৮ টাকা। সে হিসাবে আটটি সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ২১ লাখ ১১ হাজার ২৬৪ টাকা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার, নির্ধারিত মাপ অনুযায়ী সেতু নির্মাণ না করা এবং দীর্ঘসূত্রতার মতো অনিয়ম হচ্ছে। তাঁদের দাবি, প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দের তুলনায় মাঠপর্যায়ে কাজের অগ্রগতি খুবই কম।
রোববার গণমাধ্যমকর্মীরা একটি তথ্যের ভিত্তিতে হাটখালী ইউনিয়নের স্বাগতা এলাকায় গিয়ে দুটি সেতুর নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা কাজের মান ও দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দুই বছরেও সেতুগুলোর নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় কয়েকটি ইউনিয়নের হাজারো মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। তাঁদের মতে, প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি, নির্মাণসামগ্রীর মান ও ব্যয়ের বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে সুজানগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামীম এহসানের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তিনি অফিসে থাকার কথা জানালেও দুই দিন গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ কারণে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বক্তব্যও নেওয়া সম্ভব হয়নি।
দীর্ঘদিনেও কাজ শেষ না হওয়ায় প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি, নির্মাণের মান এবং অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :