
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) কুমারখালীতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, কুমারখালী একটি জনবহুল ও ঐতিহ্যবাহী উপজেলা। ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি, শিক্ষা ও বিভিন্ন পেশাগত প্রয়োজনে প্রতিদিন এখানকার মানুষ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করেন। তাঁদের জন্য নিরাপদ ও কম খরচের যাতায়াতব্যবস্থা হিসেবে রেলপথের গুরুত্ব রয়েছে।
বক্তারা জানান, কুমারখালী রেলস্টেশনে আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ের মহাপরিচালক, বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক, জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
তাঁদের দাবি, দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর কুমারখালী স্টেশনে বেনাপোলগামী একটি আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির বিষয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়ে চিঠি দেয়। তবে খোকসা স্টেশনে ওই ট্রেনের যাত্রাবিরতি বন্ধের বিষয়টি সামনে আসায় দুই উপজেলার মানুষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়।
পরে কুমারখালী স্টেশনে বেনাপোলগামী ট্রেনের পরিবর্তে আন্তনগর সুন্দরবন ট্রেনের যাত্রাবিরতির জন্য রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানানো হয়। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আশ্বস্ত করলেও এখনো তা কার্যকর হয়নি বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।
তাঁরা বলেন, রেলওয়ের দেওয়া আশ্বাস দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কুমারখালী স্টেশনে সুন্দরবন ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালু না হলে স্টেশন অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি শাকিল আহমেদ তিয়াশ, কুমারখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি খন্দকার লিপু আমির, সাধারণ সম্পাদক সোহাগ মাহমুদ খান, উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি সাধক হারুন, ব্যবসায়ী রাকিব প্রামাণিক ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম জিলালসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
Google-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন
আপনার মতামত লিখুন :