
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে লালমনিরহাট শহরের মিশনমোড় এলাকায় ‘ভুট্টা চত্বর’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, গত এক দশকে লালমনিরহাটে ভুট্টা চাষের ব্যাপক সম্প্রসারণ হয়েছে। উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি ভুট্টার প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ‘ভুট্টায় ভরা সবার ঘর, লালমনিরহাট স্বনির্ভর’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে জেলার কৃষির সম্ভাবনাকে দেশ-বিদেশে তুলে ধরতে হবে। ভুট্টা চত্বরটি জেলার কৃষি ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে গড়ে তোলা হবে এবং ভবিষ্যতে এটি দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্র হতে পারে।
মন্ত্রী আরও বলেন, তিস্তা ও ধরলার চরাঞ্চলসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভুট্টা চাষ বাড়ছে। কৃষকরা যাতে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য পান, সে জন্য আধুনিক সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
জেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, লালমনিরহাটের মাটি ও আবহাওয়া ভুট্টা চাষের জন্য উপযোগী। বিশেষ করে তিস্তা ও ধরলার চরাঞ্চলে অনাবাদি জমিতে ভুট্টা চাষ সম্প্রসারিত হয়েছে। জেলার উৎপাদিত ভুট্টা পোল্ট্রি, মৎস্য ও ডেইরি ফিড শিল্পের কাঁচামাল হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে।
ভুট্টা চত্বরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নে গিয়ে প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন দুটি গ্রামীণ সড়কের উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন ত্রাণমন্ত্রী। সড়ক দুটি নির্মাণ হলে কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারজাতকরণে সুবিধা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হক, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামানসহ সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মতামত লিখুন :