
প্রচণ্ড শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। কাজের প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হলেও কনকনে ঠান্ডায় শরীর কাঁপছে তাদের। কিছু এলাকায় দিনের বেলাতেও মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতারই প্রতিচ্ছবি। শৈত্য প্রবাহ ও ঘন কুয়াশার কারণে নরসিংদী সদরের চরের নিম্নাঞ্চলের মেঘনা নদীতে দৃষ্টিসীমা একেবারেই কমে যাওয়ায় স্পিডবোট এবং নৌকা চলাচলে দেখা দিয়েছে মারাত্মক ঝুঁকি। এতে করে চরের খেটে খাওয়া মানুষ সকাল বেলায় নিজ কর্মস্থলে পৌঁছাতে বিঘ্ন ঘটছে। একই সঙ্গে হাইওয়ে সড়কেও দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে।
এই শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন বৃদ্ধ, শিশু ও সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। প্রবল ঠান্ডার কারণে অনেক বৃদ্ধ ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। ছোট শিশুদের নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অভিভাবকেরা—শীতজনিত অসুস্থতার ভয় তাড়া করছে তাদের প্রতিনিয়ত। ইতিমধ্যে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলে দিয়েছে এই সত্য প্রবাহ আরো তিন চার দিন থাকবে। এদিকে আবহাওয়া পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতির কোনো স্পষ্ট লক্ষণ না থাকায় শীতের এই নীরব দুর্ভোগ আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।আজ বিকাল বেলা নরসিংদী সদর উপজেলা মাধবদী থানাধীন পাইকারচর ইউনিয়নের বালাপুর বাজারে গিয়ে দেখা যাচ্ছে খড়কুটায় আগুন দিয়ে ৭-৮ জন লোক আগুন পোহাচ্ছ। এখানে উপস্থিত – স্থানীয় স্কুল শিক্ষক আব্দুস ছালাম বলেন -শৈত্য প্রবাহ এবং শীত মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সতর্কতা জোরদারের দাবি জানান।
আপনার মতামত লিখুন :