কুষ্টিয়ায় হত্যাকারীদের শাস্তির দাবিতে চার সন্তান নিয়ে রাস্তায় ইবি শিক্ষিকার স্বামী


প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : ৭ মার্চ, ২০২৬, ২:৪৪ অপরাহ্ণ
কুষ্টিয়ায় হত্যাকারীদের শাস্তির দাবিতে চার সন্তান নিয়ে রাস্তায় ইবি শিক্ষিকার স্বামী

সামরুজ্জামান (সামুন), কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহযোগী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার এবং মূল পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) সকাল ১০টায় কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সামনে এই কর্মসূচি পালন করেন নিহত শিক্ষিকার স্বজন ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনে নিহত শিক্ষিকার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান তাঁদের চার সন্তান তাইবা (৯), তাবাসসুম (৭), সাজিদ (৫) ও ১২ মাস বয়সী আয়েশাকে নিয়ে উপস্থিত হন। সন্তানদের বুকে জড়িয়ে তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে স্ত্রীর হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানান।

আহাজা‌রি কর‌তে কর‌তে ইম‌তিয়াজ সুলতান ব‌লেন, ‘কীভা‌বে রোজার দি‌নে ইফতা‌রির আগে নৃশংসভা‌বে রুনা‌কে হত্যা কর‌তে পার‌লে? তোমরা কেউ তাঁর সঙ্গে ভা‌লো আচরণ কর‌তে না। আমা‌কে ফোন ক‌রে সে জানা‌ত। দিনের পর দিন টর্চার ক‌রে‌ছ তোমরা।’ এ সময় মামলার আসামি‌ সহকারী রে‌জিস্ট্রার বিশ্ব‌জিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমান‌কে ধিক্কার জানিয়ে ইম‌তিয়াজ ব‌লেন, ‘আমার মাসুম বাচ্চা‌কে দুধ খাওয়া থে‌কেও তোমরা ব‌ঞ্চিত করেছ। আমার স্ত্রী ওই চেয়া‌রে ব‌সে এক‌ দিনও শা‌ন্তি পায়নি। অথচ ফজলু (কর্মচারী) যে ফোন ব্যবহার ক‌রে, সেটাও আমি কি‌নে দি‌য়ে‌ছি।’ মানববন্ধ‌নে নিহত শি‌ক্ষিকার বাবা শ ম আশিকুল হকসহ পরিবারের অন্যান্যসদস্যরা উপ‌স্থিত ছি‌লেন। মানববন্ধন থে‌কে দ্রুত আসামি‌দের গ্রেপ্তার ক‌রে শা‌স্তির দাবি জানানো হয়। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।

এর আগে গত বুধবার বিকেলে নিজ দপ্তরে ছুরিকাঘাতে নিহত হন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহযোগী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা। এই ঘটনায় অভিযুক্ত রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানও নিজ গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ফজলুর রহমান, সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমানকে আসামি ক‌রে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় মামলা ক‌রে‌ছেন নিহ‌ত ব্যক্তির স্বামী ইম‌তিয়াজ সুলতান। মামলার পর হাসপাতা‌লে ‌চি‌কিৎসাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ফজলুর‌ রহমান‌কে গ্রেপ্তার দে‌খি‌য়ে‌ছে পু‌লিশ।

গাজর ছাড়াও দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে যে ৪ খাবার

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০