
মোরাদ হাসান, জৈন্তাপুর(সিলেট)প্রতিনিধি:সিলেটের জৈন্তাপুরে দ্বিতীয় দিনে টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
সারী,বড় নয়াগং ও রাংপানি নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।বৃষ্টিপাত আব্যহত থাকায় বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিন দেখা যায়,পানি বন্দী হয়ে পড়েছেন নিজপাট, জৈন্তাপুর ও চারিকাটা ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা।এছাড়া বন্যায় পরিস্থিতির খোঁজ রাখছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
নিজপাট লামাপড়া,বন্দরহাটি,ময়না হাটি, জাঙ্গাল হাটি,বড়খেল,মেঘলী,তিলকৈ পাড়া,ফুলবাড়ী, নয়াবাড়ী,হর্নি,বাইরাখেল,গোয়াবাড়ী,ডিবির হাওর, ঘিলাতৈল,মুক্তাপুর,বিরাইমারা হাওর,খারুবিল, লমানীগ্রাম,কাটাখাল,বাউরভাগ,চাতলারপাড়, ডুলটিরপাড়, ১নম্বর লক্ষ্মীপুর,২নম্বর লক্ষীপুর, আমবাড়ী,ঝিঙ্গাবাড়ী,কাঠালবাড়ী,নলজুরী,কেন্দ্রী, থুবাং,কালিঞ্জি,লালা,তুমইর,শেওলারটুক,বাওন হাওর সহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
উপজেলার সর্ববৃহৎ সারী,বড় নয়াগাং ও রাংপানি নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দশমিক ৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। টানা বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় বন্যা ও পাহাড়ী ঢলে পানি আরও বৃদ্ধি পাবে।
সারী-গোয়াইন বেড়িবাঁধ প্রকল্পের কর্মকর্তা মো. আলা উদ্দিন বলেন, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পানি নিম্নাঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় বিপদ সীমার দশমিক ৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে সালিক রুমাইয়া বলেন, পাহাড়ি ঢল টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে।বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং নিম্নাঞ্চলের জনসাধারণকে নিরাপদ আশ্রয়ে গবাদী পশু সরিয়ে আনতে বলেছি।এছাড়া জনসাধারণকে সতর্ক থাকতে পরামর্শ ও দেওয়া হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :